পাকিস্তান-চীন জোটে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা?

ভারতের আকাশ সীমার মধ্যেই ধ্বংস হলো ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের গর্ভের এয়ারক্রাফট। তবে একটি নয় এমন ঘটনার শিকার পরপর পাঁচটি যুদ্ধবিমান। বিশ্বখ্যাত রাফাল মাল্টিরোল জেট, মিকট29 ফাল্ক্রাম ও সুখইথ এম কেআই ফ্ল্যাংকারজ নাস্তানাবুদ হয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সামনে। এমন পরিস্থিতিতে স্বভাবতই প্রশ্ন আসছে নয়া দিল্লির শক্তিশালী বহরকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন অগ্রদূত কে? উত্তর হল জেটনসি। চীনের দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত যুদ্ধবিমানটিকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে এখন জয়জয়কার।

পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাকদারের দাবি নয়া দিল্লির বহরকে নিমেশেই ধ্বংসের সক্ষমতা ছিল পাক সামরিক বাহিনীর। তবে শুধুমাত্র হামলাকারী যুদ্ধবিমানকে ভূপাতিতের নির্দেশ দেয়া হয়। এ কারণে ভারতে অক্ষত অবস্থায় ফিরতে পারেনি পাঁচটি যুদ্ধবিমান। 2022 সালে 4.5 জেনারেশনের জে10 সি যুদ্ধবিমান ক্রয় করে পাকিস্তান। মাল্টিরোল ফাইটার জেটটি তৈরি করেছে চীনের চেংদু এয়ারক্রাফট কর্পোরেশন।

 ভিগোরাজ ড্রাগন খ্যাত বিমানটিতে রয়েছে অডভান্স এভিওনিক্স ও AESA রাডার সিস্টেম। এয়ার টু এয়ার ও এয়ার টু গ্রাউন্ড মিশনের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত এই ফাইটার জেট। এর অত্যাধুনিক সেন্সর, ভিজুয়াল আর্মামেন্ট, বিয়ন্ড ভিজুয়াল রেঞ্জ এঙ্গেজমেন্ট ও লোয়ার রাডার সিগনেচার সমসাময়িক অনেক যুদ্ধবিমানের চেয়ে উন্নত। মার্কিন এফ6 ফাইটার জেটের সঙ্গে তুলনা করা হলেও জেটন সি কে অনেকেই অভিহিত করেন গেম চেঞ্জার হিসেবে। বর্তমানে পাকিস্তানের 15 নং কোবরা স্কোয়াড ড্রোন অত্যাধুনিক এই ফাইটার জেট পরিচালনা করছে।

যুদ্ধবিমান পৌঁছে দিয়েছে লক্ষ্যের সামনে। আর সেই টার্গেট ধ্বংসের কাজ করেছে পিএলফ মিসাইল। পেহেলগামে হামলার কয়েকদিনের মধ্যেই এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে পাকিস্তানকে বিশেষ এই এয়ার টু এয়ার মিসাইল সরবরাহ করে চীন। মূলত প্রতিরক্ষা অংশীদারদের রপ্তানির ক্ষেত্রে পিএল15 ই সরবরাহ করে বেইজিং। তবে চীনের এয়ার কম্বেট পরিকল্পনার হৃদপিণ্ড হিসেবে কাজ করে এই ক্ষেপণাস্ত্র। যা তৈরি করেছে এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি কর্পোরেশন অফ চায়না।

আর এই হৃদপিণ্ডই ধসিয়ে দিয়েছে ভারতের ফ্রন্ট  লাইন।অক্টিভ রাডার গাইডেড এয়ার টু এয়ার মিসাইলটি মূলত দূরপাল্লার। ফলে চোখের সামনে আসার আগেই ভারতীয় যুদ্ধবিমানকে গুড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তানি ফাইটার জেট। দুটি সলিড প্রোবেল্যান্ড রকেটের পাশাপাশি মিজাইলটিতে রয়েছে এএসইএ রাডার। যা দ্বিমুখী ডেটা লিংক হিসেবে কাজ করে। ফলে লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল হামলার পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর মাঝপথেই গতিপথ পরিবর্তন করা সম্ভব।

 শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ দ্রুত গতিতে 200 থেকে 300 কিলোমিটার দূরত্বে হামলা চালাতে পারে পিএল 15। পাকিস্তানের সমরাষ্ট্র ভান্ডারে থাকা প্রায় সবকয়টি যুদ্ধবিমানে একসঙ্গে চারটি মিসাইল বহন সম্ভব। দা ওয়ার জোনের প্রতিবেদন বলছে, রণাঙ্গনে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয়েছে জেট এনসি ফাইটার জেট ও পিএলফ মিসাইল। আর প্রথমবারেই বাজিমাত করল চীনের এই দুই সমরাস্ত্র।

Share With Your Friends

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *