শেষ ওভারে জিতে ফাইনালে চট্টগ্রাম

পারলেন না রিপন মন্ডলও। এলিমিনেটর ম্যাচে নায়ক হওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন ফাহিম আশরাফ। কিন্তু শেষ বলে ৬ রানের সমীকরণে রংপুরের পেসারকে ছক্কা হাঁকিয়ে নায়ক বনে যান সিলেট টাইটানসের ব্যাটার ক্রিস ওকস। 

ফাহিমের মতোই প্রথম কোয়ালিফায়ারে ৬ বলে ৯ রানের সমীকরণে বল হাতে নিয়েছিলেন রিপন।রাজশাহীর সমর্থকদের আশা ছিল ফাহিম না পারলেও তিনি জেতাবেন দলকে। তবে সেটা পারেননি রিপন। ৩ বল হাতে রেখেই চট্টগ্রাম রয়্যালসের জয় নিশ্চিত করেছেন অধিনায়ক শেখ মেহেদী।

তাতে বিপিএলে তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠেছে চট্টগ্রাম।আর টানা দ্বিতীয়বার। এর আগে ২০১৩ বিপিএলের ফাইনালে খেলেও শিরোপাটা ছুঁয়ে দেখা হয়নি তাদের। এবার সেই আক্ষেপ ঘুচানোর সুযোগ পাচ্ছেন তারা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ কে হবে তা আগামীকাল জানা যাবে।দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার মুখোমুখি হবে রাজশাহী ও সিলেট টাইটানস।

অথচ, শেষ ওভারে নয়, সহজ জয়ই পাওয়ার কথা ছিল চট্টগ্রামের। ১৩৪ রান তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৬৪ রান যোগ করেছিল নাঈম শেখ ও মির্জা বেগ। ৩০ রানে নাঈমকে আউট করে জুটি ভাঙেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

চট্টগ্রাম যখন দ্বিতীয় উইকেট হারায় তখন দলের স্কোর ছিল ৯৮।কিন্তু শেষ ৩৬ রান নিতে গিয়ে কিছুটা পথ হারাতে বসেছিল চট্টগ্রাম। তা হতে দেননি অধিনায়ক শেখ মেহেদী। শেষ দিকে ২ ছক্কায় ৯ বলে ১৯ রান নিয়ে দলকে ফাইনালে তোলেন তিনি।

জয় নিশ্চিত করার পর সিলেটের ব্যাটার ওকসের মতো উদযাপনও করলেন মেহেদী, মুষ্ঠিবদ্ধ এক হাত উপরে তুলে। চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন পাকিস্তানের ওপেনার মির্জা। তবে অপরাজিত ১৯ রানের সঙ্গে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডারই। রাজশাহীর হয়ে দুটি উইকেট নেন সাকলাইন।

এর আগে প্রথমে ব্যাটিং করে শুরুটা ভালোই করেছিল রাজশাহী। তবে মাঝপথে একের পর এক উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রানে অলআউট হয় শান্তর দল। এই স্কোরটাও হতো যদি শেষ দিকে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংস না খেলতেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

সাকলাইন ২১৩.৩৩ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি সাজান ২ চার ও ৩ ছক্কায়। ওপেনিংয়ে নেমে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন তানজিদ হাসান তামিম। চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নেন শেখ মেহেদী ও আমের জামাল। 

Share With Your Friends

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *