বিপিএলে আজ প্রথম জয় পেল নোয়াখালী। ৭ ম্যাচ শেষে তাদের পয়েন্ট এখন ২। রংপুরের ৬ ম্যাচে এটি দ্বিতীয় জয়। তারা এখন টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে।
অথচ এই ম্যাচেও রংপুরকে জয়ের আশাই দেখিয়েছিলেন বোলাররা। নোয়াখালীর ইনিংসের শেষ ওভারে হ্যাটট্রিক করেছেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। দৃশ্যপটে ছিলেন অন্য বোলাররাও।
নাহিদ রানা ভয় ধরিয়ে গেছেন তাঁর গতি দিয়ে। মোস্তাফিজুর রহমান আর খুশদিল শাহও পরপর দুই বলে উইকেট নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন হ্যাটট্রিকের সামনে।
স্পিডমিটারে দেড় শ পেরিয়ে যাওয়া গতিতে নাহিদ রানা আতঙ্কই হয়ে উঠেছিলেন নোয়াখালীর জন্য, ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ১ উইকেট পান তিনি। মোস্তাফিজুর রহমানও বরাবরের মতো কার্যকরীই ছিলেন, তিনি ৪ ওভার করে মাত্র ১৮ রান দিয়ে পান ৩ উইকেট। ২ উইকেট পাওয়া খুশদিল শাহ ৪ ওভারে দেন ২৭ রান। মাঝের এমন বোলিং আর শেষ ওভারে গিয়ে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর হ্যাটট্রিকের পর ১৯.৫ ওভারেই ১৪৮ রানের বেশি করতে পারেনি নোয়াখালী।
এমন বোলিংয়ের পরও রংপুর ম্যাচটা জিততে পারেনি। নোয়াখালীর ৯ রানের জয়ে কৃতিত্বটা হাসান মাহমুদেরই বেশি—৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪ উইকেট। রংপুরের ব্যাটসম্যানদের অনেকেই ভালো শুরু পেলেও ইনিংসটা আর বড় করতে পারেননি। ৩১ বলে ৩৭ রান করা ইফতেখার আহমেদই দলটির সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।