বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. আবু নাছের বলেছেন, ওলামায়ে কেরামই হচ্ছেন জনগণের প্রকৃত রাহবার ও পথপ্রদর্শক। সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে হলে মিম্বর থেকেই সত্য ও ন্যায়ের বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে। দ্বীনের দাওয়াত ও নৈতিকতার শিক্ষা মানুষের অন্তরে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ইমাম ও খতিবদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১৮ ডিসেম্বর সকালে বাংলাদেশ মসজিদ মিশন পাচঁলাইশ থানার উদ্যোগে আয়োজিত ইমাম ও খতিব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আলিমগণ মুসলিম উম্মাহর অভিভাবকস্বরূপ। সমাজ সংস্কার, নৈতিক অবক্ষয় রোধ এবং ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে ইমাম ও খতিবদের দায়িত্ব অপরিসীম। তাদের জ্ঞান, আমল ও আদর্শিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
ডা. আবু নাছের আরও বলেন, বর্তমান সময়ে নানা অপসংস্কৃতি ও বিভ্রান্তি সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে। এসব থেকে জাতিকে রক্ষা করতে হলে মসজিদকেন্দ্রিক দাওয়াতি কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। ইমাম ও খতিবরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানুষের দিকনির্দেশনা দেন, তবে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাচঁলাইশ থানা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমী। তিনি বলেন, বর্তমান সমাজে আলিম সমাজের মধ্যে বিভাজন পরিহার করে ঐক্যবদ্ধভাবে দ্বীন কায়েমের প্রচেষ্টা চালাতে হবে। মুসলিম উম্মাহকে পৃথিবীতে প্রেরণের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের কল্যাণ সাধন এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মসজিদ মিশন চট্টগ্রামের সভাপতি বিশিষ্ট আলিমে দ্বীন ও খতিব মাওলানা মহসিন আল হোসাইনী এবং পাচঁলাইশ থানা সেক্রেটারি মাওলানা মফিজুল হক।
মসজিদ মিশন পাচঁলাইশ থানার সভাপতি মাওলানা আবুল ফয়েজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুহাম্মদ মুসা, মাওলানা আব্দুল মান্নান ফারুকী, ড. প্রফেসর সাইফুল্লাহ, মাওলানা মাহবুবুর রহমান ও প্রফেসর নাজিম উদ্দিনসহ অন্যান্য আলিম ও সুধীবৃন্দ।