রাঙ্গামাটির, লংগদুতে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা করে মটরসাইকেল চালক সোহাগ (৩৮)।
সোহাগ লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের মুর্শিদাবাদ এলাকার মো: আবুল কাশেমের ছেলে।
যৌন নিপীড়নের শিকার মহিলার নাম ফজিলা আক্তার (২৭),
বাড়ি গুলশাখালি ইউনিয়নের পূর্ব জালালাবাদ।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে মহিলা জানান,
ঘটনার দিন সন্ধ্যা(৭)টায় আমি নিজের বাড়ি থেকে আমার ভাইয়ের মেয়েকে নিয়ে আমার মায়ের কাছে বিলের মাঝখানে পৌঁছে দিয়ে, নিজ বাড়ি ফেরার পথে ধান ক্ষেতের উপর দিয়ে আসার সময়, পিছন থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসে বখাটে সোহাগ,আমার চোখে মুখে চেপে ধরে ধস্তাধস্তি করে। একপর্যায়ে ধানের জমিতে শুইয়ে ফেলেন। আমি হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে কল দেওয়ার চেষ্টা করলে সোহাগ মোবাইল কেড়ে নিয়ে মাটির নিচে ঢুকিয়ে দেন। পরে আমার ওড়না কেড়ে নিয়ে মুখ বাঁধার চেষ্টা করলে কৌশলে উঠে দৌড় দেই, নিজ বাড়িতে পৌঁছার পর অজ্ঞান হয়ে যাই।
তারপর আমার বাবা-মা এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় লংগদু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়, আমি এখন লংগদু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মহিলা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছি।
এ বিষয়ে মহিলার বাবা-মা বলেন আমার মেয়ের চারটি সন্তান আছে এবং মেয়ের জামাই আছে তারা এ ঘটনা কিভাবে নিবে এর জন্য আমরা লজ্জিত বোধ করতেছি, আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমার মেয়ের জীবনের নিরাপত্তা চাই।
ফজিলা আক্তারের স্বামী এবং ভাই জানান, ঘটনার সঠিক তদন্ত করে আসামির বিচার করতে হবে। সমাজে আমাদের মানসম্মান নষ্ট করে দিয়েছে। এমন নিন্দনীয় কাজের সুষ্ঠু বিচার কামনা করছি।
লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ ফেরদৌস ওয়াহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ফজিলা এবং তার পরিবারের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে।মামলা নাম্বার (০৩) আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।তিনি আরো বলেন লংগদু থানায় যেকোনো ধরনের অপরাধ সংগঠিত হলে অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত সময় ব্যবস্থা নেয়া হবে।